Wednesday, December 30, 2015

আগে হিসাব পরে মেলা

তৃনমূলের একটি গোষ্ঠী লিফলেট দিয়ে মেলা বানচাল করতে চেয়ে ছিল ।


        আগে হিসাব পরে মেলা 

বন্ধু গন
সুদীর্ঘ ৩০ {১৯৮২ হইতে ২০১১ } ধরে ১ লা জানুয়ারি হইতে ১০ ই জানুয়ারি ১০দিন ব্যাপি অনুষ্ঠিত হয়ে চলেছে " দুর্গা পুর সাংস্কৃতিক মেলা " এবং এই মেলাটি পরিচালনা করেছে সি পি আই এম প্রভাবিত সমন্বয় কমিটির বেনামে দুর্গা পুর সাংস্কৃতিক মেলা কমিটি । এই কমিটিতে বরাবরই যুক্ত থাকেন ডি পি এল এর আধিকারিক রা ও কর্মী বৃন্দ । প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও মিলন উৎসব টি হোক   এটা আমাদের সকলের মন বাসনা । কিন্তু সুস্থ এবং স্বচ্ছতা বজায় রেখে ।
আমাদের বক্তব্যঃ 
ডি পি এল আধিকারিরা ন্তুন কমিটি গঠন করলো কি ভাবে ?
১}পুরানো কমিটি কি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে ?
২} পুরানো কমিটির কাছ হইতে কি সকল প্রকার কাগজ পত্র বুঝিয়া নেওয়া হয়েছে ?
৩} পুরানো মেলা কমিটির কাছ হইতে মেলা বিভিন্ন সরঞ্জাম কি জমা নেওয়া হয়েছে ?
৪}পুরানো মেলা কমিটির কাছ হইতে মেলার অফিস ঘর টি হস্তান্তর হয়েছে ?
৫} সর্ব পরি পুরনো মেলা কমিটির হিসাব { আয় ব্যয় } দেওয়া হয়েছে কি এবং পুরানো কমিটির হাতে 
     কত টাকা আছে ?
৬} মেলার ট্রাস্টি বোর্ডের নামে কত টাকা ফিক্স জমা আছে এবং ট্রাস্টি বোর্ডে কে কে তা জানা আছে 
     কি ?
                              আমরা ডি পি এল এর সকল কর্মী বৃন্দ এবং এলাকার নাগরিক বৃন্দ ডি পি এল এর আধিকারিক দের কাছে জানতে চাই তাদের অভিমত । কারন একটাই যে স্থানে মেলাটি হয় সেই স্থানটি / ময়দান টি ডি পি এলের অধীন স্ত ।
এই মেলা সম্পূর্ণ করার ডি পি এল হইতে প্রচুর পরিমাণ বিভিন্ন সামগ্রী { পাইপ ড্রাম ব্লিচিং ফিনাইল ইত্যাদি } দেওয়া হয় ।সর্ব পরি জল বিদ্যুৎ খুব সামান্য মুল্যে সাপ্লাই দেওয়া হয় । মেলা কমিটি মাত্র সামান্য টাকা { হাজার খানেক } ডি পি এল কে দেয় । আর সাইকেল স্ট্যান্ড গুলি যে যে স্থানে হয় সেগুলি ও ডি পি এল এর অধিন স্ত ।অথচ দেখা যায় এলাকার ক্লাব গুলি কে বঞ্চিত করা হয় আর সি পি এম এর শাখা সংগঠন DYFIএই সাইকেল স্ট্যান্ড গুলি পরিচালনা করে প্রতিবছর ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা উপার্জন করে । এর জন্য ডি পি এল কে কোন রেভিনু তারা দেয় কি ? তাহলে সুদীর্ঘ ৩০ বৎসরে
এই সি পি এম দলটি কি বিশাল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছে এই মেলা কে সামনে রেখে তা সকলে ই  জানতে পারছেন । এই মেলায় স্টল , ভি আই পি স্টল , পাভিলিয়ান ,বড় দোকান সকল ব্যবসায়ী দের কাছ হইতে জমির বাবদ প্রতি ১০০ স্কঃ /ফুটে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা , কোন কোন ক্ষেত্রে ৩০০০০/,৫০০০০ টাকা আবার কোথাও নিগশিয়েবেল অর্থ আদায় করা হয় । ফায়ার চার্জ আলাদা ভাবে ১০০,২০০, ৫০০ টাকা নেওয়া হয় । তাহলে দেখা যায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা আদায় হয় এই ভাবে এ ছাড়া ও ডেকরাটার স বাবদ টাকা ইলেকট্রিক বিল ,জল বাবদ ১০ লক্ষ টাকা , বই মেলার জন্য আলাদা ভাবে আদায় করা করা হয় না দোকানদার ভাই দের কাছ থেকে । এর ফলে অসুবিধায় পড়ে ডি পি এল এর কর্মী বৃন্দ ও তাদের পরিবার , সাধারন নাগরিক ও আশে পাশে এলাকার নাগরিকরা , কারন বিক্রিত দ্রব্যের মুল্য বৃদ্ধি পায় এই বিশাল পরিমাণ আদায় এর জন্য ।আমাদের প্রশ্ন  ডি পি এল ক্ত্রি পক্ষ কাছে যে বিশাল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে বেনামে দুর্গা পুর সাংস্কৃতিক মেলা কমিটি কত টাকা ডি পি এল কে দেয় ? এটি সাংস্কৃতিক মেলা ,বানিজ্য মেলা নয় তাহলে এই বিশাল পরিমাণ আদায় কিসের স্বার্থে ? আমরা ডি পি এল এর কর্মী বৃন্দ ও সকল নাগরিক বৃন্দ ডি পি এল এর সম্পাদক তথা জেনেরাল ম্যানেজার {এফ এন্ড এ } এবং পূর্ব মেলা কমিটির সভাপতি সাথে সাথে বর্তমান মেলা কমিটির সভাপতি কাছে এই মেলার হিসাবের ব্যাপারে বার বার স্মরণ আপন্ন হয়ে কোন সদুত্তর পায়নি । ন্তুন মেলা কমিটি ও এই হিসাবের ব্যাপারে উদাসীন , ডি পি এল উরদ্ধত ন ক্ত্রি পক্ষ ও এব্যাপারে স ম্পুনা উদাসীন । জানি না এর মধ্যে কোন গোপন অভিসন্ধি আছে কিনা ? পূর্বে বামফ্রন্ট সরকারের রাজত্ব কালে জনগণের প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল ,জনগণের অধিকার ছিল না সত্য কথা বলার । বর্তমানে রাজ্যে মা মাটী মানুষের সরকার  জনগণের সরকার তাই জনগণের সরকার তাই জনগণ শেষ কথা বলবে । বক্তব্য একটা ই আগে হিসাব পরে মেলা ।

                                                                                  ধন্য বাদান্তে 
                                                               ডি পি এল এর কর্মী ও নাগরিক বৃন্দ 

কপি।
১ মাননীয় এস ডি ও
২জেলা শাসক
৩ এম ডি/ ডি পি এল
৪ সকল জন সাধারনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি 

Wednesday, December 23, 2015

Sri Ramakrishna and the Great Disciples - Documentary

Ramakrishna Sharanam

03. Sri Sarada Devi Stotram Prakritim Paramam

Bengali Devotional Song | Jagat Guru Kalpataru | Ramkrishna Paramhans S...

Sri Ramakrishna the Spiritual Kalpataru - Swami Jnanadananda on January ...

JUGAL JHA PRESENT

JUGAL JHA PRESENT

JUGAL JHA PRESENT

JUGAL JHA PRESEMT

JUGAL JHA PRESENT

JUGAL JHA PRESENT

Tuesday, December 22, 2015

পরিবর্তনের পর কল্পতরু উৎসব

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি { মার্ক্সবাদী } তার শ্রমিক সংগঠন দুরগাপুর প্রজেক্টস এমপ্ল্যিজ ইউনিয়ন এক ইস্তাহার বিলি  করে ।



দুর্গা পুর প্রজেক্টস এমপ্ল্যিজ ইউনিয়ন { সি আই টি ইউ }

কার্ল মার্ক্স ভবন                                                                             দুর্গা পুর -২


বন্ধু গন 
অতি স ম্প্রতি বিশেষ করে আমাদের রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে প্রকল্পের ক্ত্রিপক্ষের যে আচরণ আমরা প্রত্যক্ষ করেছি  সেই সম্পর্কে নিদিষ্ট ভাবে নিম্ন লিখিত বিষয় সমূহের উপরে আমাদের ইউনিয়নের তুলে ধরার চেষ্টা করছি ।
আপনারা প্রত্যেকে অবগত আছেন যে ৮০ দশকে দুর্গা পুর প্রজেক্টস এমপ্ল্যিজ ইউনিয়ন ও ডি পি এল সেক্টর সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে তৎকালীন    বিশেষ অবস্থায় দুরগাপুর সাংস্কৃতিক মেলা কমিটির যে মেলা আমরা প্রতি বছর ১লা জানুয়ারি থেকে ১০ই জানুয়ারি করে আসছি তা প্রকল্পের শ্রমিক কর্মচারী দের উন্নত চেতনার স্বাক্ষর বহন করে আসছে । এই বিষয়ে তৎকালীন management এর সহযোগিতা মূলক বাস্তব দৃষ্টি ভঙ্গি আমাদের সাহস জুগিয়েছে এবং আমাদের নৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে ।
কিন্তু ২০১২ সালে সাংস্কৃতিক মেলা বিষয়ে নিয়ে যখন আমাদের চেতনায় রাজনৈতিক পালাবদলের প্রশ্নটি আসে তখনই আমরা প্রকল্পের আধিকারিদের বিশেষ করে মেলা কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত আকারে প্রস্তাব রেখেছিলাম যাতে প্রকল্পের সমস্ত রেজিস্টার্ড ইউনিয়ন ও এ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি দের নিয়ে স্টিয়ারিং কমিটি করে এবং তার সাথে কতগুলি সাব কমিটি যুক্ত করে মেলা করার পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য । কিন্তু জানা গেল যে, প্রকল্পের ন্তুন গড়ে ওঠা TMC অনুমোদিত ছোট একটি ইউনিয়ন এই প্রস্তাব গ্রহণ করতে রাজি না হওয়ায় MANAGEMENT তদের সাথে সহযোগিতার পথে পা বাড়িয়েছে । আমরা অবাক হচ্ছি এটা ভেবে যে , যে ইউনিয়নের বয়স ১ বছর নয় , প্রকল্পে যার সদস্য সংখ্যা মাত্র কয়েক মধ্যে সীমাবদ্ধ , সেই ইউনিয়নের বাইরে জমায়েত মাত্র ২০০ জনের মত শ্রমিক কর্মচারী জমায়েতে মেলা করার এই সিদ্ধান্ত কেMANAGEMENT  কি করে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে এলেন । বাস্তব মুখি কোন যে কোন MANAGEMENT কর্তব্য এটাই হতে পারে আমাদের ইউনিয়নের উপরোক্ত বত্তব্য কে মান্যতা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা । কিন্তু তা না করে দুর্ভাগ্য বশতঃ উল্লেখিত ছোট ইউনিয়নকে অত্যাধিক গুরত্ব দিয়ে প্রকল্পে একটা বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া যে রাজ্যে ক্ষমতাসিন দলের ইউনিয়ন হওয়াতে তাদের ক্ষমতা শক্তি যাই হোক না কেন ,তাদের কাছে তাদের মর্যাদা অত্যাধিক । এই জাতীয় কাজ যে কোন management কাছে লজ্জাজনক ।
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------



                                                                                                           সম্পাদক মণ্ডলী
                                                                           দুরগাপুর প্রজেক্টস এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন
সমস্ত চালেঞ্জ চক্রান্ত মোকাবিলা করে এই  মেলা সফল করে ছিলাম ,ইতিহাস সাক্ষী ।
যুগল কিশোর ঝা 

Thursday, December 17, 2015

Durgapur Projects Employecs Uniion

Durgapur Projects Emloyees Union
      {Affilied to CITU }




                                                                                                                          31/10 /2011


মাননীয় সভাপতি
দুর্গা পুর সাংস্কৃতিক মেলা কমিটি
তথা
সেক্রেটারি দুর্গা পুর প্রজেক্টস লিমিটেড



মহাশয়


           সভাপতি হিসাবে আপনি অবগত আছেন যে বিগত ৩২ বছর যাবত প্রতি বছর এই সাংস্কৃতিক মেলা যথেষ্ট সুনামের সাথে প্রকল্পের লেনিন ময়দানে { কল্পতরু ময়দান } ১লা জানুয়ারি থেকে ১০ ই জানুয়ারি হয়ে আসছে । এই মেলা বাস্তবিকই প্রকল্পের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে । কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের সু নিদিষ্ট প্রস্তাব ছিল যে প্রকল্পের সব কটি ইউনিয়নের এবং এ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের নিয়ে আপনার নেতৃত্বে একটি স্টিয়ারিং কমিটি এবারের মেলা দায়িত্ব গ্রহণ করুক ।  এই স্টিয়ারিং কমিটির অধিনে বিভিন্ন বিষয়ের জন্য সাব কমিটি গঠন করে সুচারু ভাবে  মেলাটি সংগঠিত হোক ।

       কিন্তু হটাত তৃনমূলের একটি ইউনিয়ন কলোনিতে মাইকর মাধ্যমে জনসাধারণ কে জমায়েত করে মেলা কমিটি গঠন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে । আমরা কোন এই উদ্যোগ কে সমর্থন করতে পারছি না । আবার আমরা কোন সংঘর্ষে ও লিপ্ত হতে চাই না । এইভাবে কমিটি করার ক্ষেত্রে আমাদের আপত্তি থাকলেও আমরা বৃহত্তর স্বার্থে  মেলাটি যেন শান্তিপূর্ণ করে অনুষ্ঠিত হোক তাই চাই তবে সাথে সাথে এবিষয়ে বেপরোয়া একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমরা আমাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি ।

               ধন্য বাদের সহিত



                                                                                             সুখেন সরকার
                                                                                                সভাপতি

Wednesday, December 16, 2015

কল্পতরু মেলা থেকে সাংস্কৃতিক মেলা রূপান্তরের কিছু স্মৃতি

{ এই লেখাটি " সমাজ পরিবর্তনে মানুষ " পত্রিকা তে প্রকাশিত  }
                                                                                                   যুগল কিশোর ঝা


বাংলাদেশের উৎসব প্রাচুর্যের দেশ । বারো মাসে তের পার্বণ , বাঙালির সৃজন ধর্মী প্রতিভার আনন্দমুখর অভিব্যক্তি, উৎসবের পর আনন্দ ও কলহাস্য বাংলার ঘর আলোতে ভরিয়ে দেয় ।
বন্যা, দুর্ভিক্ষ ,মহামারিতে ,কত দৈব দুর্বিপাকে কত রাজনৈতিক দাঙ্গায় বাঙালির ভাগ্যাকাশে মানিয়ে এসেছে দুর্যোগের কালো মেঘ । কতবার বাঙালি প্রত্যক্ষ করেছে প্রাকৃতিক ও মানবিক কারনে নির্মম মৃত্যুর ভয়াবহ তাণ্ডব লীলা । কিন্তু বাঙালি তার দুর্বার প্রান প্রাচুর্যের দ্বারা সেসব জয় করেছে আর সৃষ্টি করেছে আনন্দ উৎসবের নিত্য ন্তুন পরিকল্পনা । এইরকম একটি উৎসব ছিল কল্পতরু মেলা । শীতের বিকেল টা আমাদের গ্যাম ন ব্রিজ সংলগ্ন মাঠে ১লা জানুয়ারি থেকে উৎসব মেলা সংগঠিত হতো । রামকৃষ্ণ সারদা মায়ের মূর্তি তে ১০ দিন ব্যাপি পুজা পাঠ ও সন্ধ্যা আরতি হতো । যদিও এই মেলার সুচনা সাধুদাঙ্গার রামকৃষ্ণ কালিকা নন্দ আশ্রমে হয়েছিল ।বর্তমানে ঐ আশ্রমের সেবাইত সাধু মহারাজের গুরুদেব এই আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন । পরবর্তী কালে সাধু মহারাজের উদ্যোগে রামকৃষ্ণ আশ্রম ও কালিকা নন্দ আশ্রম গড়ে ওঠে । আর এই আশ্রম দুটি গড়ে উঠেছে কালিকা নন্দ আশ্রমের জমিতে যা বিরভানপুরের জমিদাররা আশ্রম করতে দান করেন । এই মাঠে শুরু হয় "কল্পতরু উৎসব"  যা পরবর্তী সময়ে স্থানাভাবে গ্যাম ণ ব্রিজ সংলগ্ন অনুষ্ঠিত হতে থাকে ।সেই থেকে এই মাঠ কল্পতরু ময়দান নামে পরিচিতি লাভ করে ।
জরুরী অবস্থার সময় ডি পি এলের এম ডি মেজর জেনারেল প্রেমাংশু চৌধুরী যোগ দান করার পর তিনি এই মাঠ টাতে প্রকল্পের অধিবাসী দের জন্যে একটা সর্বাঙ্গীণ সুন্দর আধুনিক পার্ক, সুইমিং পুল করবেন বলে কল্পতরু উৎসবের বেদী ভেঙ্গে পাঁচিল দিয়ে ঘিরে দেন । সেই কারনে এই মেলাটি বন্ধ হয়ে যায় । তৎকালীন মেলা কমিটির সম্পাদক সুধাকর মুখার্জি  যিনি বর্তমানে দুরগাপুরে বাইরে থাকেন ।  আর কালিকা নন্দ আশ্রমের সাধু মহারাজ আজও বেঁচে আছেন সমস্ত ঘটনার সাক্ষী হিসাবে । খুব সম্ভবতঃ ১৯৭৮/১৯৭৯ সালে সুখেন সরকার আমাকে নিয়ে গেলেন সাধুবাবার কাছে ।তার সাথে আলোচনা হল কল্পতরু উৎসব ও মেলা ইতিহাস নিয়ে ।  সেদিন উৎসব ,মেলা ,ও আশ্রম নিয়ে অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরেছিলাম । সেই সমস্ত তথ্য এক্ত্রিত করে "অগ্রণী" পত্রিকাতে " কল্পতরু মেলার উৎস সন্ধানে " নামে একটি বিস্তারিত লেখা প্রকাশিত হয় । আমার বিশ্বাস আজও সুখেন বাবুর কাছে সেই প্ত্রিকার কপি আছে । সেই লেখার মধ্যে ন্তুন করে মেলা সংগঠিত করার প্রস্তাব ছিল । এলাকায় ন্তুন সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল গড়ে তোলার প্রয়োজনে ।
সুখেন বাবুর কথাতে বলি " দুরগাপুরে সুস্থ সাংসকৃতির অঙ্গ হিসাবে বিশেষ প্রয়োজনে অনুষ্ঠিত একটি সাংস্কৃতিক মেলার । হাজার হাজার মানুষ এক্ত্রিত হতে পারবে , মন প্রান ঢেলে আনন্দ করতে পারবে, প্রতিদিনের বিচ্ছিন্নতা বোধ থেকে মুক্ত করতে সক্ষম হবে । সেই ধরনের একটি মেলার জন্য বিশেষ ভাবে ননী চক্রবর্তী । তার নেতৃত্বে সেক্টর সমন্বয় কমিটির সদস্য রা কেন্দুলি ,শান্তিনিকেতন মেলার অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করেন । এই মেলা সেক্টর সমন্বয় কমিটির হাতে না রেখে দুরগাপুর সাংস্কৃতিক মেলা কমিটির তত্ত্বাবধানে করার সিদ্ধান্ত হয় যাতে প্রকল্পের অফিসারস সহ বিভিন্ন মতাবলম্বী মানুষ ও এই মেলায় যুক্ত থাকতে পারেন । এই মেলা  প্রধানতঃ শিল্প মেলা, কৃষি মেলা ,বই মেলা ,এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের একত্রিত রুপ । প্রতি বছর ১ লা জানুয়ারি থেকে ১০ ই জানুয়ারি পর্যন্ত প্রকল্পের লেনিন ময়দানে এই এই মেলা অনুষ্ঠিত হয় ।
সুখেন বাবু আরও বলেছেন " মেলার উদ্বৃত্ত অর্থ  যথাযথ হিসাবের পর এই অর্থ পার্ক নির্মাণে ও 
উন্নয়নের কাজে ব্যয় হয়, এই সম্পর্কে একটি উপদেস্থা কমিটি গঠিত হয়েছে । এ জোনে রবীন্দ্র উদ্যান , বি জোনে নজরুল উদ্যান , গড়ে উঠেছে ।"
সুখেন বাবু তারপর যা বলেছেন " প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ করা প্রয়োজন যে অতীতে কল্পতরু মেলা নামে ডি ভি সি কলোনিতে একটি মেলা হত ,সেটি ১৯৬৯-৭৪ সাল পর্যন্ত লেনিন ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় যার দায়িত্বে ও নেতৃত্বে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে আই এন টি ইউ সি পরিচালিত ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের হাতেই মুখ্যতঃ অর্থ সংগ্রহ এবং অন্যান্য বিষয়ে যে দুর্নীতি সংগঠিত হত তাতে এই অঞ্চলের মানুষের কাছে প্রকল্পের কর্মীদের ভাবমূর্তি ম্লান হয়ে জেত । আমাদের ইউনিয়নের সাথে এই মেলার কোন সম্পর্ক ছিলনা । অর্থ সংগ্রহের ব্যাভিচার এমন অবস্থায় পৌছায় প্রকল্পের আধিকারিরা এই মেলা বন্ধ করে দেয় ।"
গঠিত হয় ন্তুন মেলা কমিটি দুরগাপুর সাংস্কৃতিক মেলা কমিটি যার মুখ্য উপদেস্থা সুখেন সরকার । ১৯৮২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সেক্টর সমন্বয় কমিটির নামে বেনামে সি পি আই এম পরিচালনা করেছে ।
রাজ্যে রাজনীতির পরিবর্তনের পর দেবদাস মজুমদারের নেতৃত্বে একটি মেলা কমিটি গঠন হয় ।
তাদের দ্বারাই বর্তমানে এই মেলা পরিচালিত হচ্ছে ।

জনগণ বলছে: JUGAL JHA PRESEMT

জনগণ বলছে: JUGAL JHA PRESEMT

Tuesday, December 15, 2015

দুর্গা পুর সাংস্কৃতিক মেলা ইতিহাস

দুর্গা পুরে সুস্থ সাংস্কিতিক অঙ্গ হিসাবে বিশেষ প্রয়োজন হয়  একটি মেলার ।হাজার হাজার মানুষ যেখানে একত্রিত হতে পারবে ,প্রান ঢেলে আনন্দ করতে পারবে ,প্রতিদিনের বিচ্ছিন্নতাবোধ থেকে মুক্ত হয়ে বহুর মধ্যে নিজেকে যুক্ত করতে সক্ষম হবে সেই ধরনের একটি মেলার কথা চিন্তা করেন কমরেড ননী চক্রবর্তী । কমরেড ননী চক্রবর্তী নেতৃত্বে কিছু কর্মী কেন্দুলি ,শান্তিনিকেতন প্রভৃতি মেলা দেখে বাস্তব অভিজ্ঞতা সং গ্রহ করেন ।
এই মেলাটি সেক্টর সমন্বয় কমিটির হাতে না রেখে দুর্গা পুর সাংস্কৃতিক মেলা কমিটির নামে এই মেলা করার সিদ্ধান্ত করা হয় । যাতে প্রকল্পের আধিকারি ও সব ভিন্ন মতাবলম্বী মানুষ ও এই কমিটিতে যুক্ত থাকতে পারেন ।
এই সাংস্কৃতিক মেলা প্রধানতঃ শিল্প মেলা ,কৃষি মেলা ,বই মেলা ,এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের একত্রিত রুপ । প্রতি বছর ১লা জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি প্রকল্পের লেনিন ময়দানে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয় ।
এই মেলা প্রায় দেড় হাজার স্বেচ্ছাসেবক ১০ দিন ব্যাপি দিনরাত সতর্ক প্রহরীর মত দায়িত্ব পালন করেন । মেলা কমিটি প্রত্যক্ষ ভাবে সমগ্র মেলাটির দায়িত্বে থাকেন । সাংস্কৃতিক  অনুষ্ঠানের মধ্যে রবীন্দ্র গীতি ,নজরুল গীতি লোক সঙ্গীত ,গন সঙ্গীত ছউনাচ গম্ভীরা গান ,রনপা ,চলচচিত্র প্রভৃতি অনুষ্ঠান ।
মেলার উদ্বৃত্ত যথাযথ হিসাবের পর মেলা কমিটির নামে বাঙ্কে রাখা হয় । এই টাকা পার্ক নির্মাণে কাজে ব্যয় হয়েছে । এই কাজ পরিচালনা করার একটি উপদেষ্টা মণ্ডলী আছে । এ জোন বি জোন রবীন্দ্র উদ্যান নজরুল উদ্যান গড়ে উঠেছে ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন যে অতীতে কল্পতরু মেলা নামে প্রথমে ডি ভি সি কলনি তে এবং ১৯৬৮ সাল থেকে লেনিন ময়দানে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হত তার নেতৃত্বে এবং দায়িত্বে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে আই এন টি ইউ সি পরিচালিত ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের হাতে সমস্ত অর্থ সংগ্রহ এবং যে দুর্নীতি সংঘটিত হত তাতে এই অঞ্চলের প্রকল্পের কর্মী দের ভাব মূর্তি ম্লান হত । অর্থ সম্পর্কে ব্যভিচার এমন অবস্থায় পৌছায় প্রকল্পের পক্ষ থেকে এই মেলা 
বন্ধ করে দেয় ।


কল্পতরু মেলা , দুর্গা পুর 

Sunday, December 13, 2015

কল্পতরু মেলার ইতিহাস

কল্পতরু মেলা মেলা ও তার অন্তরালে
{অগ্রণী ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত }
                                                                                                  যুগল কিশোর ঝা




কল্পতরু উৎসব ও মেলা এই অঞ্চলের বাসিন্দা দের কাছে খুবই পরিচিত । পয়লা জানুয়ারি থেকে প্রায় দশদিন ধরে চলত এই মেলা ও উৎসব লেনিন ময়দানে { কল্পতরু ময়দান }  । কয়েক বছর থেকে অজানা কারনে এইমেলা ও উৎসব বন্ধ আছে ।
কল্পতরু মেলা কে কেন্দ্র করে এই এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগানো অবাল বৃদ্ধ বনিতার মধ্যে । সাজ সাজ রব পড়ে যেত । তাই এই মেলার বিষয়ে ন্তুন ভাবে চিন্তা ভাবনা করতে ও এর অন্তরালের কাহিনী  ও ইতিহাস জানতে গিয়েছিলাম । এই মেলার সংগঠক সংস্থা রামকৃষ্ণ কালিকা নন্দ আশ্রম , সাধুদাঙ্গায় । যা জানতে পারলাম তা থেকে ন্তুনভাবে এই বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করার অবকাশ আছে ।
তাই দুরগাপুরের সচেতন মানুষের কাছে এই আশ্রমের অন্তরালের কাহিনী আপনাদের কাছে তুলে ধরতে যাচ্ছি আপনারা এই বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করে ন্তুনভাবে এই সমাজ কল্যাণ মূলক আশ্রমটির সমস্ত বাধা বিপত্তি কে অপসারিত করে একে নিজের পায়ে চলার মত করার প্র চেষ্টা চালাবেন ।
একবার চলুন না , ঘুরে আসি রামকৃষ্ণ কালিকা নন্দ আশ্রম ,সাধুদাঙ্গায় । এই যে বটগাছ যার তলায় বসে কালিকা নন্দ জী সিদ্ধি লাভ করেন । ডান দিকে ঐ বাড়িটা রামকৃষ্ণ দেবের মন্দির আর বাঁ দিকের বাড়িটা রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও বর্তমান সাধুবাবার আশ্রম । ঐ আশ্রমে থাকেন সিং স্বরুপ ব্রম্ভচারি । কালিকা নন্দের শিস্য নির্মলা নন্দ জী আর তার শিস্য হলেন সিং স্বরুপ ব্রমচারি ।{বর্তমান সাধু বাবা }
রামকৃষ্ণ আশ্রম ও কালিকা নন্দ আশ্রম পৃথক সংস্থা পরবর্তী কালে সাধুবাবার আবেদন ক্রমে রামকৃষ্ণ ও কালিকা নন্দ আশ্রম মিলে রামকৃষ্ণ কালিকা নন্দ আশ্রম নামে রেজিস্টার্ড করা হয় । বর্তমানে সেই রেজিস্ট্রেশন রেনুয়াল না করানোর তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে । ১৯৭৫ সালে রেজিস্টার্ড বডি তৈরি করা । টি এন মিত্র সভাপতি শম্ভুনাথ পট্ট নায়ক কে সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয় । পরে অনেকে কমিটি থেকে সরে দাঁড়ান । তবু শম্ভুনাথ , অমল ভট্টাচার্য , নিমাই সেন শর্মা প্রভৃতি  ব্যক্তি এখনও সক্রিয় সদস্য হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন ।
রামকৃষ্ণ কালিকা নন্দ আশ্রম কতগুলি জন কল্যাণ মূলক কাজ কর্মের পরিকল্পনা নেয় । স্কুল নির্মাণ ,হোস্টেল নির্মাণ ,ইত্যাদির দীর্ঘ কর্মসূচি গ্রহণ করে । একটি লাইব্রেরী করা হয়েছিল তাও নষ্ট হয়ে যায় ।
হোমিওপ্যাথি হাসপাতাল চালু করা হয় তাও সেটি বন্ধ হয়ে গেছে ।
আশ্রম গড়ার কাজ ৭৫ সালে শুরু হলেও আজও তা অসমাপ্ত রয়ে গেছে । ন্তুন ভাবে ঠাকুরের পুজার জন্য মন্দির তৈরি কাজ শুরু হলেও তা ১/৪ হয়ে আজও সেই অবস্থায় পড়ে আছে । এই আশ্রমের আয়ের একমাত্র উৎস কল্পতরু মেলা । ১০ বছরের মত এই মেলা হয় । ৩ বছর সাধুদাঙ্গায় পরবর্তী বছর গুলিতে লেনিন ম্যদানে । ১৯৭৫সালে অজানা কোন কারনে এই মেলা বন্ধ হয়েছে গেছে । কল্পতরু মেলা থেকে প্রায় ৯০ হাজারাধিক টাকা আয় হয়েছে । যেটা ইউ বি আই তে জমা আছে । তার মধ্য থেকে আনুমানিক ৩৫ হাজার টাকা  অসমাপ্ত আশ্রম নির্মাণের কাজে খরচ হয়েছে । আবার এই টাকা থেকে ঠাকুরের পুজা রাধাকৃষ্ণের পুজার জন্য প্রতিমাসে ৫০ টাকা করে দেওয়া হয় । ব্যাঙ্কের হিসাব খাতায় বর্তমানে ৫০ হাজার টাকা পরে আছে ।
" আশ্রম নির্মাণ কাজ বন্ধ হল কেন ? " এই প্রশ্ন আমি ব্যানারজিবাবু ও শম্ভুনাথ বাবুকে জিজ্ঞেস করি তাদের কাছ থেকে যা উত্তর পেলাম তার সার মর্ম আপনাদের কাছে তুলে ধড়তে চাই ।
প্রথমতঃ ডি ডি এ থেকে অনুমতি না নেবার জন্যে ডি ডি এ থেকে বাধা আসে । কিন্তু আশ্রমের নির্মাণ কাজ যখন শুরু হয় তখন কমিটির সভাপতি মৌখিক ভাবে ডি ডি এ সাথে কথা বার্তা বলেন । তার সাথে কথা বলেই কাজ শুরু হয় । পরবর্তী কালে টি এন মিত্র না থাকার জন্যে বাধা আসে । কমিটির সভাপতির পদ শুন্য আছে বর্তমানে ।
দ্বিতিয়তঃ কালিকা নন্দ আশ্রমের সাধুবাবা ইঞ্জাং সন দেয় । কারন জমিটা কালিকা নন্দ জী র নামে আছে । তার উত্তরাধিকারী সেবাইত হিসাবে বর্তমান সাধুবাবা তার স্বত্বাধিকারী । অবশ্য জমিটা পূর্বতন  মালিক শিয়ারশলের রাজা ,বেঙ্গল কোল ,ও আচার্য পরিবার তারা জমিটা কালিকা নন্দ জী কে দান করেন ।  তবে লিখিত কোন দানপত্র নেই । অবশ্য সরকারী রেকর্ডে এটা কালিকা নন্দ জীর ।
রামকৃষ্ণ আশ্রমের পক্ষ থেকে সাধুবাবার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া সত্ত্বে কিছু লোকের প্ররোচনায় সাধুবাবা ইঞ্জাকশন ও ১৪৪ ধারা জারী করেন । কারন সাধুবাবা ঐ খানে বস্তি বসিয়েছেন তাদের কাছ থেকে নিয়মিত ভাড়া আদায় করেন । এখন তারা উঠতে চাইছে না ।
এছারা সাধুবাবা কত গুলি শর্ত দিয়েছেন যা মেনে আশ্রমের পক্ষে কাজ সম্ভব নয় ।
১ কালিকা মন্দির আগে নির্মাণ করতে হবে ।
২মাসিক ৩০০ টাকা মাসহারা দিতে হবে ।
৩ পুজার সমস্ত কর্তৃত্ব তার হাতে থাকবে ।
৪ তীর্থ ভ্রমণের খরচ দিতে হবে ।
সাধুবাবার অনমনীয় মনোভাবের জন্য আশ্রম গড়ার কাজ বর্তমানে থমকে দাঁড়িয়েছে ।
তৃতীয়তঃ লক্ষ্মীনারায়ণ কুণ্ডু ও শোভাকর মণ্ডলের উপর আশ্রম নির্মাণের কাজের ভার দেওয়া হয় । তাদের নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ হবার ফলে কনট্রাক্টর ব্রিজন প্রসাদ কাজ ছেরে দেয় । কোর্টে মামলা দায়ের আশ্রমের নামে । ব্রিজন প্রসাদ অভিযোগ করে তাকে হয়রানি করা ,জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করে ৭০ হাজার টাকা দাবী করে ক্ষতিপূরণ চান । আশ্রমের তরফ থেকে মামলা মিটিয়ে ফেলার অবিরাম প্রচেষ্টা ফলে ১৪ হাজার টাকা দিয়ে কনট্রাক্টর ব্রিজন প্রসাদের সাথে মামলা মিটিয়ে ফেলা হয় ।
এই সমস্ত কারনের জন্যে এই অঞ্চলের ধর্মীয় ও জন কল্যাণ মূলক অগ্রণী প্রতিষ্ঠান নষ্ট হতে চলেছে । সময় থাকতে একে টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা না করলে কালের গহ্বরে চলে যাবে । তাই সমাজ সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টি দেওয়া দরকার । তবে বর্তমান কমিটির সম্পাদক শম্ভুনাথ পট্ট নায়কের কথায় বলি " আপনারা শুধু অগ্রণী তে লিখে ই শেষ করবেন না । আসুন সমস্ত বাধা বিঘ্ন দূর করে সমাজ কল্যাণ মূলক কাজে আশ্রম কে এগিয়ে নিয়ে যাবার দায়িত্ব নিন ।"
পরিশেষে  আশ্রম পরিদর্শন করতে শম্ভুনাথ বাবু ও অন্যান্য ব্যক্তির সাথে আলাপ আলোচনা করতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে এলাম । যা দুরগাপুরের এই অঞ্চলের মানুষের কাছে গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় । এই এলাকায় মানুষের অর্থে গড়া সমাজ কল্যাণ মূলক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান একটি অচল অবস্থা মধ্যে পড়ে আছে তা কাটিয়ে তোলার জন্য সমস্ত স্তরের মানুষ কে এগিয়ে আসা একান্ত প্রয়োজন । কল্পতরু মেলার মধ্য দিয়ে যে টাকা জমা আছে তার সদ্ব্যবহার হওয়া প্রয়োজন । তারপর রামকৃষ্ণ কালিকা নন্দ জীর আশ্রম যে সমস্ত পরিকল্পনা করে ছিল তাকে বাস্তবায়িত করতে হবে । এতে এলাকার মানুষের উপকার হবে ।

বি দ্র ঃ
পরবর্তী সময়ে সেক্টর সমন্বয় কমিটির নামে এই মেলা কে দুর্গা পুর  সংস্কৃতি ক মেলা নামে এই মেলা সি পি আই এম দল পরিচালনা করেছে ।